১৯৭৯ ব্যাচের কর্মকর্তা সাবেক অতিরিক্ত সচিব কামরুল হাসান আজ বৃহস্পতিবার সকালে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।
কামরুল ১৯৯৮-৯৯ সালে উপসচিব হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কাজ করেছেন। ১৯৯৮-৯৯ সালে আমি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে সচিবের একান্ত সচিব পদে কাজ করি। এই সূত্রে স্যারকে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়। অনেক সময়ই আমরা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনায় সময় কাটিয়েছি। আমি সেখান থেকে জ্বালানি বিভাগে যাই। তিনি আগে জ্বালানি বিভাগে কাজ করেছেন ফলে আমাদের আলাপের অনেক কমন বিষয় ছিল। তিনি ছিলেন ভালো মানুষ , পরোপকারী এবং নি:স্বার্থ। সহজ ও খোলা মনের ছিলেন। আমাদের একদিন সন্ধ্যায় এক সংগে বসার কথা ছিল। তা আর হলো না।
২০০৩ সালে কামরুল যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। যুগ্মসচিব হিসেবে তিনি অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে কাজ করেন। এ'ছাড়া তিনি ২০০৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে নিয়োজিত ছিলেন।
২০০৯ সালে কামরুল অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁকে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়। সেখান থেকেই তিনি সরকারী চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করেন। অবসরের পর তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে নিয়োজিত হন। তিনি আনন্দ শিপ বিল্ডার্স এবং হাইস্পীড ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ এ অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করেন।
কামরুল একজন দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তা এবং সজ্জন মানুষ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। আল্লাহ পাক তাঁকে যেন জান্নাতের সুশীতল ছায়ায় স্থান দেন, আন্তরিকভাবে এই দোয়া করেন তার শুভাকাঙ্খীরা।