বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরী পোশাকের বড় রপ্তানি বাজার। বাংলাদেশের ফার্নিচার, ঔষধসহ বিভিন্ন পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, এগ্রোফুড প্রসেসিং, টেকনিকেল এ্যাসিসটেন্ট, বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ, আইসিটি খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিত বাংলাদেশের প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এখানে বিনিয়োগ করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীগণ লাভবান হবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রায় ৩২টি দেশের সাথে বাংলাদেশ নিরাপদ বিনিয়োগের বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেষ্টমেনস্ট(এফডিআই) এর ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। মার্কিন বিনিয়োগকারীগণ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন। বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। ডিজিটাল কমার্স এ দক্ষতা অর্জনে বাংলাদেশ সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকায় প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকায় সফররত এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি অফ কমার্স ফর গ্লোবাল মার্কেট এন্ড ডাইরেকটর জেনারেল অফ দি ইউএস এন্ড ফরেন কমার্সিয়াল সার্ভিস অরুণ ভেনকাটারাম্যান (অৎঁহ ঠবহশধঃধৎধসধহ) এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় এসব কথা বলেন।
ইউএসএ এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি অফ কমার্স অরুণ ভেনকাটারাম্যান বলেন, বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদার। ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন খুবই উৎসাহব্যাঞ্জক। বাংলাদেশের ট্রেড ফেসিলিটেশন বেশ ভালো। অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। বাণিজ্য ও বিনিয়োগরে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ডিজিটাল বাণিজ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশের সাথে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসসহ আগত ডেলিগেশনের সদস্যবৃন্দ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব)মো. হাফিজুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান(অতিরিক্ত সচিব) এ এইচ এম আহসান, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আব্দুর রহিমসহ সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।