বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরাজমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতির উপরও প্রভাব ফেলেছে। দেশের বিরাজমান পরিস্থিতির মধ্যেও ব্যাংকিং সেক্টরে রাষ্ট্রমালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১১০০ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে যা অগ্রণী ব্যাংকের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। অগ্রণী ব্যাংক অক্টোবর'২০২২ পর্যন্ত ১১ হাজার ৫৫ কোটি টাকা বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ করতে সমর্থ হয়েছে। এটি দেশের রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং সকল ব্যাংকের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অর্জনের ধারাবাহিকতায় গ্রাহকের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বস্থতায়
অগ্রণী ব্যাংকের অন্যতম সাফল্য নিম্নরূপঃ
১) অগ্রণী ব্যাংকে কোন তারল্য সংকট নেই। সম্মানিত গ্রাহকগণের আমানত সুরক্ষিত ও নিরাপদ ।
২) আমদানি, রপ্তানি ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের মধ্যে অবস্থানে রয়েছে।
অগ্রণী ব্যাংক প্রথম
৩) দেশের পরিবহন ও জ্বালানি খাতের পেট্রোল ও ডিজেল, কৃষিখাতে সার ও কীটনাশক আমদানিতে ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ব্যবসা পরিচালন করে দেশের পরিবহন, কৃষি/শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। ৪) অগ্রণী ব্যাংক নিজস্ব রপ্তানি ও রেমিট্যান্স থেকে আহরিত বৈদেশিক মূদ্রা হতে বাঙালি জাতির অহংকার এবং
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের পদ্মাসেতুতে এককভাবে ১.৪৫ বিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
৫) রেমিট্যান্স আহরণে বিগত ১০ বছরের অধিককাল ব্যাপি অগ্রণী ব্যাংক রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের মধ্যে
প্রথম স্থান ধরে রেখেছে।
৬) রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করেছে। ৭) রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড প্রথম এবং একমাত্র ব্যাংক হিসেবে অফশোর (Offshore) ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
৮) সিএমএসএমই কোভিড-১৯ প্রণোদনা বিতরণে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের সকল ব্যাংকের মধ্যে প্রথম । ৯) কৃষিখাতে কোভিড-১৯ প্রণোদনা বিতরণে ও দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের সকল ব্যাংকের মধ্যে প্রথম ১০) গ্রীণ ব্যাংকিং এ ঋণ বিতরণ করে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের মধ্যে সবুজ অর্থায়নে প্রথম ।
দেশের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু রাখার মাধ্যমে দেশের উৎপাদন ও রপ্তানির গতি স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে অগ্রণী ব্যাংক জ্বালানি তেলের সিংহভাগ আমদানি করে দেশের জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। একই সাথে ১৫টি পাওয়ার প্ল্যান্টে সিংহভাগ অর্থায়ন করছে এ ব্যাংক। দেশের শিল্পখাতের বিকাশকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে শিল্পঋণেও অগ্রণী ব্যাংক এগিয়ে রয়েছে। শিল্পঋণে বিভিন্ন ব্যাংক এর সাথে সর্বাধিক সিন্ডিকেটেড হয়ে ৯৮টি সিন্ডিকেশন ঋণ বিতরণ করা হয়েছে যার মধ্যে সর্বাধিক ২৬টি সিন্ডিকেশন ঋণে অগ্রণী ব্যাংক লীড অ্যারেঞ্জার ও এজেন্ট ব্যাংক হিসেবে কাজ করছে। এসব সিন্ডিকেশন প্রকল্পের মুলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির লক্ষ্যে সিংহভাগ আমদানি ঋণপত্র (এলসি) স্থাপন করেছে অগ্রণী ব্যাংক। উক্ত ঋণপত্রসমূহের বিপরীতে বিপুল পরিমাণ ডলারের আমদানি দায় পরিশোধ করা হচ্ছে।এই সিন্ডিকেশন ঋণের মাধ্যমে বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে অগ্রণী ব্যাংক, অবদান রাখছে জিডিপি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে।
তথ্যপ্রযুক্তিতে একধাপ এগিয়ে থাকা ব্যাংকটির রয়েছে ঘরে বসেই হিসাব খোলার ‘ই-অগ্রণী অ্যাপ’ এবং লেনদেনের সুবিধাসহ ‘স্মার্ট ব্যাংকিং অ্যাপ। অগ্রণী ব্যাংকের সাথে রয়েছে বিকাশের দ্বি-মুখী লেনদেন সুবিধা । গ্রাহকের সব রকম সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। অগ্রণী ব্যাংকের কোন তারল্য সংকট নেই। এ ব্যাংকের সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় সম্পদ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রদত্ত নাম অগ্রণী ব্যাংক ‘দেশ ও জাতির সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ' শ্লোগানকে ধারন করে অবিরত এগিয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।