পদ্ম সেতুর মতোই পিরোজপুরের কচাঁ নদীর উপর নির্মিত- ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর কারনে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে বানিজ্যিক গতি বাড়বে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা ।
বিশেষ করে বরিশাল বিভাগের সবকটি জেলা এ সুযোগ নিতে পারবে ।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষিণবঙ্গের বরিশাল থেকে পায়রা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।
বেকুটিয়া ফেরিঘাটের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের শিকার থেকে মুক্তি পাবে পরিবহন, পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রীরা। এই সেতু চালুর মাধ্যমে পিরোজপুরের মতো একটি বিচ্ছিন্ন পৌরসভা শিল্প-কলকারখানা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে যাবে বলে অনেকেই প্রত্যাশা করছেন।
পাশাপাশি বরিশালের বিভাগের বিভিন্ন শস্য পণ্য , মাছ ইত্যাদি অতি সহজেই সড়ক পথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পৌছাতে পারবে ।
তাছাড়া ট্রানজিট সুবিধার কারনে পায়রা বন্দরকেও কাজে লাগতে পারবে ভারত । এতে পায়রা বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে,দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বৃদ্ধি পাবে ও ভারতের সাথে বানিজ্যিক-ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরো জোড়ালো হবে এমনটা মনে করেন বরিশাল বিভাগের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ । তাছাড়া বরিশালে অতিসহজেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে সড়ক পথে পণ্য আনা যাবে এতে বাঁচবে সময় কমবে খরচ ।