জাতীয় সংসদে দেওয়া ভাষণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, ভোলা-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব বলেছেন, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প, বিশ্বের বিস্ময় পদ্মা সেতু ২৫ জুন উদ্বোধন উপলক্ষে জাতীয় সংসদে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রথমেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে।
জ্যাকব এমপি বলেন, ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম বলেছেন, স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, পদ্মা সেতুর স্বপ্ন দেখে তা বাস্তবায়ন করেছেন।
মাননীয় স্পীকার, আজকে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ পদ্মা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন। এই জুন মাস এমনিতেই ঐতিহাসিক। এ মাসের ৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির মুক্তির জন্য ৬ দফা দিয়েছিলেন। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। সেই জুন মাসের ২৫ তারিখে আরেকটি ইতিহাস রচিত হচ্ছে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন ১০ লাখ মানুষের জমায়েত হবে। এদিন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে চায়। আমরা যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারলে ২০ লাখ মানুষ সেখানে উপস্থিত হতেন। ৭ মার্চের মত আরেকটি ঐতিহাসিক জনসভা হবে জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ভোলা-বরিশাল ব্রিজ করার যে ওয়াদা করেছেন, আমি বিশ্বাস করি-জনগণের ভোটে আগামীবার ইনশাআল্লাহ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে ভোলা-বরিশাল ব্রিজ হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সর্বশেষ বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ভোলাকে মূল ভূখন্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করবেন।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাঙালীকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আজকে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রমাণ করেছেন, বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।