ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নয়নতারার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। একাধিক পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রীকে প্রধানত তামিল সহ কিছু মালয়ালম ও তেলুগু ছবিতে দেখা যায়।
নয়নতারা ২০০৩ সালে জয়ারামের সাথে মালয়ালম ছবি মানস্সিনাক্কারে দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। তিনি তামিল এবং তেলুগু ছবিতে কাজ করার পূর্বে সুপার হিট মালয়ালম ছবি নাত্থুরাজাভুতে সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন। তিনি তামিল চলচ্চিত্রে ২০০৫ সালে অভ্যএবং ২০০৬ সালে লক্সমি ছবি দিয়ে তেলুগু চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেন এবং ছবি দুটিতে সাফল্য পান। পরে ব্যবসায়িক সাফল্যমন্ডিত একাধিক ছবি যেমন চন্দ্রমুখী (২০০৫), দুবাই সেনু (২০০৭), তুলসী (২০০৭), বিল্লা (২০০৭), ইয়ারাদি নি মোহিনী (২০০৮), আদ্ভান (২০০৯), আধূরস্ (২০১০), সিংহ (২০১০), বস এনজিরা ভাস্করন (২০১০), শ্রী রামা রাজ্যম (২০১১), রাজা রাণী (২০১৩), আরম্ভাম (২০১৩), থানি অরুভান (২০১৫), মায়া (২০১৫), নানুম রৌডি ধান (২০১৫), বাবু বঙ্গরাম (২০১৬), এবং ইরু মুগান (২০১৬) ছবিগুলোতে তিনি চরিত্র প্রধান হিসেবে অবদান রাখেন, যেগুলো পরে তাকে দক্ষিণাত্যের ভারতীয় চলচ্চিত্রে অনুষ্কা শেট্টির পরে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহীতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

নয়নতারা বেঙ্গালুরু, কর্ণাটক, ভারতে, মালয়ালী গোঁড়াবাদী খ্রিষ্টান পরিবারে ১৮ নভেম্বর ১৯৮৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা কুরিয়ান কোদিয়াত্তু এবং মা অমানা কুরিয়ান, যিনি তিরুভাল্লা, কেরালার কোদিয়াত সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে আসেন।
২০১০ সালে তিনি কর্ণাটক ছবিতে কর্ণাঠক-তেলুগু দোভাষী ছবি সুপার, দিয়ে পা রাখলেও কর্ণাঠক চলচ্চিত্রে এটাই তার এখন পর্যন্ত একমাত্র ছবি। শ্রী রামা রাজ্যম (২০১১) ছবিতে তিনি সীতার চরিত্রে অভিনয় করে ‘ফিল্মফেয়ার পুরস্কার (সেরা তেলুগু অভিনেত্রী)’ এবং ‘নন্দি পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী)’ পুরস্কার লাভ করেন। রাজা রাণী (২০১৩) ছবিতে তার অনবদ্য অভিনয়ের জন্যও তিনি ‘ফিল্মফেয়ার পুরস্কার (সেরা তামিল অভিনেত্রী)’ পুরস্কার লাভ করেন। কচি টাইমস্ অনুসারে সেরা ১৫ চাহিদাময় মহিলা, ২০১৪ সালের তালিকায় স্থান পান। তার স্প্রিপ্ট যাচাইশীলতার ও "লেডি সুপারস্টার"-এ তার কাজের জন্য ভক্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে।