শিবগঞ্জে অসহায় ও দু:স্থ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বাল্য বিয়ে রোধ, সহ বিভিন্ন স্তরে ব্যাপকহারে প্রসারের মাধ্যমে মহিলাদের সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
মহিলা বিষয়ক অফিস সুত্রে জানা গেছে গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে বিভিন্ন ইউনিয়নের ২০২৯জন গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের মাঝে প্রতি মাে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে মোট ২১‘শ জন দরিদ্র মায়েদের জন্য তিন বছর মেয়াদী প্রতিমাসে ৮‘শ টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে।সংগে সংগ শিবগঞ্জ পৌসভায় কর্মজীবি ল্যাকটেনিং মাদার সহায়তা তহবিলের অধীনে ৪৭৬জন দরিদ্র দরিদ্র কর্মজীবি মাকে তিন বছর মেয়াদী প্রতি মাসে ৮‘শ টাকা করে দেয়া হচ্ছে। অসহায় মহিলাদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে আয় বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের অধীনে ফুয প্রসেসিং ও ও ফ্যাশন ডিজাইন ট্রেডে ২‘শ জন অসহায় ও দু:স্থ মহিলাদের তিন মাস মেয়াদে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং তিন মাসে প্রতিজন ১২হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়েছে।
তাছাড়া এ প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং অবিষ্যতে চলমান থাকবে। কিশোর কিশোরদীদের মনোসামাজিক বিকাশ সাধন ও যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার জন্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে কিশোর –কিশোরী কøাব গড়ে তোলা হয়েছে।ফলে ৪৮০জন কিশোর- কিশোরী বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হতে পেরেছে। তাছাড়া নারী শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন সভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এর ফলে গত এক বছরে শুধু মহিলা বিষয়ক অফিসের মাধ্যমে ৭টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ংক অফিসার মোসা: রহিমা রওনাক বলেন, অসহায় ও দু:স্থ মহিলা বান্ধব সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে ও ১ টিপৌরসভাতে অসহায় মহিলাদের সেবার মান দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তাদর জীবনমান উন্নয়নের জন্য আমাদের সমস্ত প্রকল্প চলমান রয়েছে। আশা করি দ্রæত সময়ের মাধ্যমে শিবগঞ্জ উপজলতে অসহায় ও দু:স্থ মহিলা মুক্ত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।