পত্নীতলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুসহাক আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

মাহমুদুন্নবী, পত্নীতলা ( নওগাঁ ) প্রতিনিধি

২১ অক্টোবর, ২০২২ ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

পত্নীতলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুসহাক আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ

সারা বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। দূর্ণীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শিক্ষা খাতে দূর্ণীতি হচ্ছে একটু বেশি। শিক্ষা কর্মকর্তা বড় একটি জায়গা দখল করে থাকেন। এই জায়গার অপব্যবহার করে দিনের পর দিন শিক্ষা গুরুদের জিম্মি করে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে পত্নীতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  মুসহাক আলীর বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলার  ২০ টি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক একত্ততা ঘোষণা করে  বটতলী দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুর রসিদ বাদী হয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বটতলী দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুর রসিদ উল্লেখ করেন,  সম্প্রতি আমার বিদ্যালয়ে ৩ জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী  নিয়োগ দেওয়া হয়। উক্ত নিয়োগে সন্মানী হিসাবে আমি আমার প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাহেবের সাক্ষাতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে একটি খামে ২৫ হাজার টাকা এবং আলাদা ভাবে গাড়ি ভাড়া বাবদ ৩ হাজার টাকা দেই। গাড়ি ভাড়ার টাকা পকেটে রেখে খামটি খুলে দেখেন এবং রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে বলেন,  একটি খাম কেন? তিনটি নিয়োগে তিনটি খাম দিতে হবে। অর্থ্যাৎ ৭৫ হাজার টাকা নিয়োগের সন্মানী বাবদ তাকে দিতে হবে। আমরা দিতে রাজি না হলে আমাকে আর আমার প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে স্থান ত্যাগ করেন। শুধু আমার এই প্রতিষ্ঠানই নয় তিনি অত্র উপজেলার বাঁকরইল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি নিয়োগ বাবদ ৩০ হাজার টাকা, সদ্য এমপিও ঘোষিত পাইকবান্দা নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি অফিস সহকারী নিয়োগে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, ৩০ হাজার টাকা আগাম না দিলে তিনি নিয়োগ বোর্ডেই যাবেন না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নিয়োগে কাঙ্খিত পারিমাণ টাকার নিশ্চয়তা না পেলে তার শরীরে আদ্ধাতিকভাবে জ্বর এসে যাচ্ছে এবং নিজের ( মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ) একক সিদ্ধান্তে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুসহাক আলীর এসকল অনিয়মের বিষয়ে যদি কোন শিক্ষক মূখ খোলার সাহস দেখায় তাৎক্ষণিকভাবে ঐ শিক্ষককে বিভিন্নভাবে ভয়-ভীতি দেখান।

অভিযুক্ত পত্নীতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুসহাক আলীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তার অফিসে গেলে তাকে না পাওয়ায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় পেয়েই বাথরুমে আছেন বলে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: রুমানা আফরোজ বলেন, আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 




সাতদিনের সেরা খবর

সারাদেশ - এর আরো খবর

যে কারণে ৭ দিন বন্ধ সোনাহাট স্থলবন্দর!

যে কারণে ৭ দিন বন্ধ সোনাহাট স্থলবন্দর!

২১ অক্টোবর, ২০২২ ০৯:৩৪ অপরাহ্ন